ফাইনালে ১৬৩ রানেই শেষ বিজয়-মোস্তাফিজরা

সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে পিনাক ঘোষ-এনামুল হক বিজয়ের উদ্বোধনী জুটিতে বড় রানের আভাস দিয়েছিল বিসিবি সাউথ জোন। তবে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের দারুণ বোলিংয়ে ১৬৩ রানেই শেষ মোস্তাফিজুর রহমান-নাসুম আহমেদদের।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে সাউথকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ওয়ালটন সেন্ট্রাল। অপু-সৌম্যদের দারুণ বোলিংয়ে ৪৮.৫ ওভারে ১৬৩ রানে অলআউট হয় সাউথ। ১৬৪ রান করলেই ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপেও চ্যাম্পিয়ন হবে ওয়ালটন।

পিনাক-বিজয় শুরুটা এনে দিয়েছিলেন দারুণ। দুজনের পঞ্চাশ রানের জুটি পার হতেই তাদের থামিয়ে স্বস্তি এনে দেন নাজমুল ইসলাম অপু। ২০ রানে বিজয় ফিরলে ৫১ রানে ভাঙে জুটি। এরপর সৌম্যর বলে ওপেনার পিনাক ঘোষও ফেরেন একটু পরেই। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান।

দুজন ফেরার পর নতুন ব্যাটসম্যান তৌহিদ হৃদয় অপুর শিকার হয়ে ফেরেন শূন্যরানে। অমিত হাসান-জাকির হাসান খেলার হাল ধরেন। ১৪ রানে সৈকতের বলে বোল্ড হলে এই জুটিও ভেঙে যায় ৩৪ রানে। অমিতও বেশি দূর যেতে পারেননি। ২৯ রান করা অমিতও মোসাদ্দেকের শিকার।

একাই লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন নাহিদুল ইসলাম। কিন্তু তিনি কাউকে সঙ্গী হিসেবে পাননি। এক প্রান্তে নাহিদুল আগলে রাখলেও আরেক প্রান্তে পড়তে থাকে উইকেট। তার ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। শেষ চার ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেননি।

ওয়ালটন সেন্ট্রালের ৫ বোলার, সৈকত, অপু, সৌম্য, হাসান মুরাদ ও মৃত্যুঞ্জয় নেন দুটি করে উইকেট। একমাত্র রবিউল হক ছাড়া সকলে উইকেটের দেখা পান। আবু হায়দার রনির পরিবর্তে একাদাশে জায়গা পেয়েছিলেন রবিউল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *