শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে, মাহমুদউল্লাহদের হারিয়ে ফাইনালের পথে সাকিবরা

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং আব্দুল মজিদের হাফ সেঞ্চুরিতে বিসিবি নর্থ জোনের বিপক্ষে ২৬২ রানের লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছিল ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। নাইম ইসলাম ৭২ এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪৩ রান করলেও জয়ের জন্য যথেষ্ঠ ছিল না। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, সৌম্য সরকার এবং মোসাদ্দেকের দারুণ বোলিংয়ে ২৮ রানের জয় পায় সেন্ট্রাল জোন। টানা দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চার দলের টুর্নামেন্টে ফাইনালের পথে তারা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে জয়ের জন্য ২৬৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি নর্থ জোন। প্রথম ওভারেই মোসাদ্দেকের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ১ রান করা তানজিদ হাসান তামিম।

এরপর পারভেজ হোসেন ইমন এবং নাইমের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। তাদের দুজনের জুটি থেকে আসে ৮৬ রান। নাজমুল ইসলাম অপুর বলে ৩০ রান করা ইমন ফিরলে ভাঙে তাদের এই জুটি। মার্শাল আইয়ুবকে থিতু হতে দেননি মৃত্যুঞ্জয়। দ্রুতই দুই উইকেট হারালেও মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন নাইম।

৬৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ডানহাতি এই ব্যাটার। এবারের আসরে যা তার দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। ৯৯ বলে আটটি চার এবং একটি ছয়ে ৭২ রান করা নাইমকে ফেরান সৌম্য। তাতে ভাঙে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে নাইমের ৬৭ রানের জুটি। নাইমের ফেরার পর মোসাদ্দেকের বলে হাফ সেঞ্চুরির আগে আউট হয়েছেন ৪৩ রান করা মাহমুদউল্লাহ।

শেষ দিকে শামীম হোসেন ৩৯ বলে ২৯ রান করলেও জয়ের জন্য যথেষ্ঠ ছিল না। তাতে ২৮ রানের জয় পায় সেন্ট্রাল জোন। দলটির হয়ে মৃত্যুঞ্জয় তিনটি, সৌম্য এবং মোসাদ্দেক নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন সাকিব আল হাসান ও অপু।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৬২ রান সংগ্রহ করে সেন্ট্রাল জোন। দলটির হয়ে মোসাদ্দেক ৫৪, মজিদ ৫৩ এবং সৌম্য করেছেন ৪০ রান করেছেন। বিসিবি নর্থ জোনের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন শফিকুল ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.